Technical SEO:
এ পদ্ধতিটি ওয়েবসাইটকে organic ranking পাওয়ার সার্চ ইঞ্জিনগুলির প্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।
Technical SEO এর প্রয়োজনীয়তা:
আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে on page SEO এবং off page SEO সঠিকভাবে ব্যবহার করে থাকেন তার মানে এই না যে আপনি সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে অবশ্যই rank করবেন। আপনার ওয়েবসাইটে যদি technical SEO রিলেটেড কোনো সমস্যা থাকে তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিনে rank করতে পারবেন না।
Technical SEO কাজের প্রক্রিয়া:
১. ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার বা ডিজাইন:
এটি সুন্দর হলে ভিজিটর সাচ্ছন্দ্য বোধ করে। ভিজিটর ওয়েবসাইটে সাচ্ছন্দ্য বোধ করলে সার্চ ইঞ্জিনও ওয়েবসাইটটিকে গুরুত্ব দিবে। ফলে rank এ আসতে সহায়ক হবে।
২. পেজ লোডিং স্পীড:
পেজ লোডিং টাইমের উপর ওয়েবসাইটের ranking অনেকটাই নির্ভর করে। বিশেষ করে মোবাইল পেজ speed.
৩. মোবাইল ইউজেবিলিটি:
যেসব ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং ফাস্ট লোডিং স্পীড সেগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন বেশি গুরুত্ব দেয়। ওয়েবসাইট বানানোর সময় তাই মোবাইল ফ্রেন্ডলি টেস্ট করতে হবে।
৪. সাইটম্যাপ ও রোবট টেক্সট ফাইল:
☑ রোবট টেক্সট ফাইল নিয়ন্ত্রণ করে ওয়েবসাইটের কোন ফাইলটি ইনডেক্স করা হবে, আর কোনটি করা হবে না।
☑সাইটম্যাপ মানে ওয়েবসাইটের পেজ গুলোকে সহজভাবে সাজিয়ে রাখা যেন গুগল সহজে index করতে পারে।
৫. SSL certificate:
ওয়েবসাইট নিরাপদ করার জন্য secure sockets layer certificate ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়েবসাইটকে hyper text transfer protocol থেকে hyper text transfer protocol secure করে দেয় যা ওয়েবসাইটের ভিজিটর ও কাস্টমারদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়।
৬. Fixed broken link:
ওয়েবসাইটে যেসব লিংকে ক্লিক করলে কোনো ফলাফল দেখায় না, তাদের ব্রোকেন লিংক বলে। এটি ক্ষতিকর, যা সার্চ ইঞ্জিনের কাছে সাইটের গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস করে।
৭. Crawler error মুক্ত রাখা:
ওয়েবসাইটকে crawler error মুক্ত রাখতে হবে, নতুবা সার্চ ইঞ্জিন বট ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারবে না। ফলে ওয়েবসাইটের পেজ গুলো ইনডেক্সিং হবে না এবং ranking এ আসতে পারবে না।
৮. URL structure:
একটি ভালো URL এর নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।
☑Remove extra words ☑Relavant keywords ☑Easily Readable ☑Utilize hyphens & underscore ☑Match URL & Title ☑Short URL is best ☑Case sensitivity ☑Avoid keyword stuffing
৯. Structured data:
ওয়েবপৃষ্ঠার স্ট্রাকচারড ডেটা ব্যবহার করে সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে ওয়েবপৃষ্ঠার মানে বুঝতে সাহায্য করা হয়।
১০. থিন কন্টেন্ট:
কোনো একটি ওয়েব পৃষ্ঠায় বা ব্লগ পোস্টে যদি খুব অল্প পরিমাণ কন্টেন্ট থাকে তখন ঐ কন্টেন্ট গুলিকে থিন কন্টেন্ট বলে।
ব্যবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের কাছেই এসব কন্টেন্টের কোনো value নেই।
১১. Duplicate Content:
এটি সার্চ ইঞ্জিনের ranking এ প্রভাব ফেলে। যখন একই বিষয়বস্তু ইন্টানেটে একাধিক ওয়েব ঠিকানায় প্রদর্শিত হয় তখন তাকে duplicate content বলে।
১২. ক্যানোনিকাল ট্যাগ:
এটি দ্বারা duplicate কে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
১৩. ৪০৪ পেজ এরর মুক্ত রাখা:
অনেক সময় একটি ব্লগ পোস্ট কোনো কারণে ডিলিট করা হলেও সেই পোস্টের বিভিন্ন ব্যাকলিংক, ইন্টারন্যাল লিংক, সোস্যাল সাইটে শেয়ার করা লিংকগুলো থেকে যায়। যখন কোনো ভিজিটর সেই মুছে ফেলা লিংকে ক্লিক করে, তখন 404 page error বা page not found দেখতে পেয়ে ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে যায়। এ বিষয়টি ওয়েবসাইট ranking বাঁধাগ্রস্থ করে।
১৪. ৩০১ রিডাইরেক্ট:
যখন কোনো ওয়েবসাইটের নাম বা URL পরিবর্তন করা হয়, তখন রিডাইরেক্ট এর কাজটি করা হয়।
ভিজিটর পূর্বের লিংকে যেতে চাইলে তাকে নতুন লিংকে রিডেক্ট করা হয়। 301 permanently এবং 302 temporary রিডাইরেক্ট।
🔶🔶🔶
SEO একটি চলমান প্রক্রিয়া। ওয়েবসাইটের অনপেজ, অফপেজ ও টেকনিক্যাল এই বিষয়গুলি সঠিকভাবে করা হলে, Search engine result page (SERP) এ ওয়েবসাইটটিকে একটি ভালো অবস্থানে দেখা যাবে।
Comments
Post a Comment