স্টুডেন্ট থাকাকালীন বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীরই মনের একটা গোপন ইচ্ছা থাকে একটা পার্ট টাইম জব যদি পাওয়া যেত।
এক্ষেত্রে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। এস এস সির পর আমি গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ে ছয় মাসের একটি ট্রেনিং করে সার্টিফিকেট নেয়ার সময় আমি আমার কোর্স কো অর্ডিনেটরকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমি এই সার্টিফিকেট ইউজ করে কিভাবে কোথায় চাকরির জন্য এপ্লাই করব?
আমার কোর্স কো অর্ডিনেটর আমাকে চমৎকার পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমি bd jobs এর মত চাকরির সাইট গুলোতে ট্রাই করলেই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকবে।
আমি সত্যিই বিডি জবস তিন চারটা জবে এপ্লাই করেই ঢাকার একটা অনেক নামকরা ও চমৎকার একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে ইন্টাভিউ এর জন্য কল পেয়েছিলাম। তার চেয়েও মজার ব্যাপার আমার জীবনের এই প্রথম ইন্টারভিউতেই আমার চাকরি হয়ে গিয়েছিল কারন আমার সাথে ছিল খুব আকর্ষণীয় একটি পোর্ট ফোলিও ফাইল।
এই পোর্ট ফোলিও ফাইলটিতে ছিল আমার কোর্স চলাকালীন সময়ে প্র্যাকটিস করা সব চেয়ে প্রফেশনাল মানের কাজ গুলোর প্রিন্ট, সাথে অবশ্যই আমার সিভিটাও ছিল পরিপাটি ও ফিটফাট এবং অবশ্যই ক্লিয়ারকাট।
তোমরা যারা শিক্ষাজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে চাচ্ছো যদি আইটি সেক্টরে করতে চাও, সেক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, থ্রিডি এনিমেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং বা ফটোগ্রাফি এর মত শর্ট ৬ মাসের কিছু একটা ট্রেনিং করে ভালো ভাবে কাজ প্র্যাকটিস করে, কাজগুলোর চমৎকার একটি পোর্ট ফোলিও রেডি করো, সাথে চমৎকার একটি প্রফেশনাল মানসম্পন্ন সিভিও রেডি করতে ভুলো না।
চাকরির ওয়েবসাইটগুলোতে গ্রাফিক্স ডিজাইন, থ্রিডি এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং এর মত বিষয়গুলোর উপর প্রচুর চাকরি আছে। এসবের থেকে কয়েক জায়গায় এপ্লাই করলেই যে কোনো একটিতে ইন্টারভিউয়ের ডাক পাবে।
তবে চাকরিটাও হয়ে যাবে যদি তোমার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও চেহারার মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকে এবং যদি সাথে থাকে প্রফেশনাল মানের সিভি ও পোর্ট ফোলিও।

Comments
Post a Comment