Skip to main content

Dofollow Nofollow লিংক কী?

 


Follow মানে কারোকে অনুসরণ করে চলে যাওয়া।

Nofollow মানে করো না, Dofollow মানে করো।

- যত টাইপের ইন্টারনাল লিঙ্কিং সেটা Dofollow.
- যত টাইপের outbound লিঙ্কিং সেটা Nofollow.

Dofollow link হচ্ছে যে সকল লিংকের মধ্য দিয়ে গুগল বট পাস করে।

আর যে সকল ব্যাকলিংকের মধ্য দিয়ে গুগল বট অর্থাৎ গুগলের সার্চ রোবট পাস করে না, সেগুলো Nofollow লিংক।

Nofollow লিংক এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে ঐ ধরনের লিংকটিকে অনুসরন না করার জন্য কমান্ড করা হয়ে থাকে।

অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন বট বা Crawler যখন একটি ব্লগ crawl করে তখন ঐ ব্লগের কোথাও যদি Nofollow লিংক দেখতে পায় তাহলে সার্চ ইঞ্জিন বট এ ধরনের লিংকে ভিজিট না করে বাইপাস করে চলে যাবে।

Nofollow এর সম্পূর্ণ বিপরীত হচ্ছে Dofollow লিংক।  সার্চ ইঞ্জিন বট বা crawler যখন একটি ব্লগ crawl করে তখন ঐ ব্লগের কোথাও যদি Dofollow লিংক দেখতে পায় তখন সার্চ ইঞ্জিন বট এ ধরনের লিংক Throw করে এই লিংকের পেজটিতে চলে যায়।
👇
সাথে সাথে যে পোস্টের সাথে লিংক করা ছিল ঐ পোস্ট থেকে কিছু লিংক value করে নিয়ে যায়।


এধরনের লিংককে সকল ধরনের সার্চ ইঞ্জিন back link হিসেবে ধরে নেয়। সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে dofollow backlinks এর অনেক মূল্য রয়েছে।

যখন কোনো লিংকের সাথে rel="nofollow" লেখাটি দেখা যায়, তখন এটি nofollow লিংক।

যদি কোনো লিংকের সাথে কোনো Attribute না থাকে তাহলে সেটি হচ্ছে dofollow লিংক। 👇
কোনো লিংক nofollow করতে লিংকের শেষে rel="nofollow" অংশটি যোগ করে দিলেই হবে।

❌ সাধারণত ডিফল্টভাবে ব্লগার টেমপ্লেটের কমেন্ট সেকশনটি nofollow এবং পোস্ট সেকশনটি সহ বাকী সকল অংশ dofollow অবস্থায় থাকে। সেই জন্য কোনো ব্লগে কমেন্ট করলেই back link পাওয়া যায় না।
❌ তাই অযথা কারো ব্লগে কমেন্ট করে লিংক যুক্ত করা উচিত নয়। এটি বেশীরভাগ লোকই অপছন্দ করেন।

যে সকল সাইটের কমেন্ট বা পোস্ট করার অপশনে Nofollow লিংক attribute করা থাকে সেখান থেকে backlink পাওয়া সম্ভব নয়।

তাই আমাদের ভালো কোয়ালিটি সম্পূর্ণ ব্যাকলিংক তৈরী করার জন্য Dofollow সাইট খুঁজতে হয়।
Dofollow লিংকের মাধ্যমে লিংক value পাস হয়।

আমরা যখন কোনো ওয়েবসাইট থেকে backlink নিবো তখন সেই ওয়েবসাইটটি চেক করে দেখতে হবে এটি dofollow লিংক দিচ্ছে নাকি nofollow লিংক দিচ্ছে।

গুগল ক্রোম এক্সটেনশন দিয়ে Dofollow Nofollow লিংক যাচাই করা যায়।

Comments

Popular posts from this blog

গ্রাফিক ডিজাইন

গ্রাফিক শব্দের বাংলা অর্থ চিত্রলেখ আর ডিজাইন শব্দের বাংলা অর্থ নকশা। গ্রাফিক ডিজাইন হলো চিত্রলেখ এর মাধ্যমে নকশা তৈরি করা।  যেমন, লোগো, ব্যানার, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, বিজ্ঞাপন, ফ্লাইয়ার, লিফলেট, ব্রোশিয়ার। প্রোডাক্ট এর প্যাকেজিং, টি শার্ট, বইয়ের প্রচ্ছদ, বইয়ের ইলাস্ট্রেশন, রেস্টুরেন্ট এর খাবার এর ম্যানুর ইলাস্ট্রেশন।  মোশন গ্রাফিক্স, যেকোনো গেম, এপ্লিকেশন ও ওয়েবসাইট এর UI ও UX ডিজাইন। বর্তমান সময়ের ট্রেন্ড এর সাথে তাল মিলাতে হলে একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে অবশ্যই AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহারে অত্যন্ত দক্ষ হতে হবে। AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহার এর মাধ্যমে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার অনেক সহজে অনেক চমৎকারভাবে তার কাজ করে নিতে পারবে। AI ও চ্যাটজিপিটি গ্রাফিক ডিজাইনারদের পেশার জন্য কোনো প্রতিবন্ধক নয়, বরং এগুলো হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য খুবই চমৎকার সহায়ক কিছু অ্যাপ। AI এবং চ্যাটজিপিটির ব্যবহার একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে তার ক্যারিয়ারে আরও বেশি দক্ষ হয়ে উঠতে অনেক বেশি সহায়তা করবে। গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য অন্যতম প্রধান সফটওয়্যারগুলো হলো এডোবি ফটোশপ, এডোবি ইলাস্ট্রেটর, কোরেল ড্র, ইন ড...

Flyer কী?

গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টরে Flyer শব্দের অর্থ বিজ্ঞাপনের প্রচারপত্র। যেমন আমরা বলতে পারি অনুষ্ঠান প্রচার এর জন্য তারা flyer বিতরন করেছিল। বা বলতে পারি নতুন রেস্টুরেন্টটি স্থানীয় সংবাদপত্রে একটি flyer রেখেছিল। সাধারণভাবে, "ফ্লায়ার" (Flyer) হলো এক পৃষ্ঠার (single page)  মার্কেটিং বা প্রচারণা উপকরণ। এর লক্ষ্য হলো সহজ ভাষায় এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনে কোনো পণ্যের প্রচার, ইভেন্টের তথ্য, বা সেবা সম্পর্কে জানানো। ✅ সাধারণ ফ্লায়ার হয়: এক পেজের একপিঠ বা দুই পিঠে ছাপা (front and back) A4, A5 বা অন্য ছোট সাইজের  ❓ তাহলে দুই পেজের ফ্লায়ার হয় নাকি? প্রযুক্তিগতভাবে নয়, তবে কেউ কেউ দুই পৃষ্ঠার তথ্য বা একটি ভাঁজযুক্ত (folded) ডিজাইন ব্যবহার করে যাকে ব্রোশিওর (brochure) বা bi-fold/trifold বলা হয়। একে অনেকেই ভুল করে "দুই পেজের ফ্লায়ার" বলে। 📌 সংক্ষেপে: ফ্লায়ার: এক পেজ (একপিঠ বা দুই পিঠে প্রিন্ট হতে পারে) ব্রোশিওর: একাধিক পৃষ্ঠা বা ভাঁজযুক্ত ডিজাইন ✅ শুধু একপিঠে ডিজাইন করা ফ্লায়ার (single-sided flyer) -ই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও জনপ্রিয় । কারণ: 🎯 কেন একপিঠের ফ্লায়ার ব...

পার্ট টাইম জব

 স্টুডেন্ট থাকাকালীন বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীরই মনের একটা গোপন ইচ্ছা থাকে একটা পার্ট টাইম জব যদি পাওয়া যেত। এক্ষেত্রে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। এস এস সির পর আমি গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ে ছয় মাসের একটি ট্রেনিং করে সার্টিফিকেট নেয়ার সময় আমি আমার কোর্স কো অর্ডিনেটরকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমি এই সার্টিফিকেট ইউজ করে কিভাবে কোথায় চাকরির জন্য এপ্লাই করব? আমার কোর্স কো অর্ডিনেটর আমাকে চমৎকার পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমি bd jobs এর মত চাকরির সাইট গুলোতে ট্রাই করলেই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকবে। আমি সত্যিই বিডি জবস তিন চারটা জবে এপ্লাই করেই ঢাকার একটা অনেক নামকরা ও চমৎকার একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে ইন্টাভিউ এর জন্য কল পেয়েছিলাম। তার চেয়েও মজার ব্যাপার আমার জীবনের এই প্রথম ইন্টারভিউতেই আমার চাকরি হয়ে গিয়েছিল কারন আমার সাথে ছিল খুব আকর্ষণীয় একটি পোর্ট ফোলিও ফাইল।  এই পোর্ট ফোলিও ফাইলটিতে ছিল আমার কোর্স চলাকালীন সময়ে প্র্যাকটিস করা সব চেয়ে প্রফেশনাল মানের কাজ গুলোর প্রিন্ট, সাথে অবশ্যই আমার সিভিটাও ছিল পরিপাটি ও ফিটফাট এবং অবশ্যই ক্লিয়ারকাট।  তোমরা যারা শিক্ষাজীবনে পার্ট টাইম চা...