Skip to main content

On Page SEO techniques

On Page SEO techniques 👩‍🔧



এটি সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট বা ব্লগে বাস্তবায়ন করাটা জরুরি। গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে অধিক পরিমাণে ট্রাফিক বা ভিজিটর পেতে চাইলে অন পেজ এসইও এর উপর খুব ভালো জ্ঞান রাখতে হবে।


On Page SEO ব্যবহার করে ব্লগ, ওয়েবসাইট এবং ব্লগের আর্টিকেল গুলি "গুগল সার্চ ইঞ্জিন" এর জন্য অপটিমাইজ করে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অধিক পরিমাণে ট্রাফিক ও ভিজিটর পাওয়া যায়।


ভালো ভালো ইউনিক কন্টেন্ট লিখে এবং সঠিক এসইও অপটিমাইজেশন টেকনিক ব্যবহার করে গুগল সার্চ থেকে ট্রাফিক পাওয়া যায়। 


অন পেজ এসইও টেকনিক যত ভালো Apply করা যাবে, search engine থেকে তত ভালো traffic পাওয়া যাবে।


অন পেজ এসইও এর কাজ হলো, বিভিন্ন মাধ্যমে ব্লগ এবং ব্লগের কন্টেন্ট গুলো সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করা। এ ক্ষেত্রে অপটিমাইজেশন টেকনিক গুলি কেবল ব্লগের ভেতরেই সীমিত থাকে। অর্থাৎ নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইটের মধ্যে সীমিত থেকে  যে SEO techniques ব্যবহার করা হয়, তাই অন পেজ SEO techniques.


On page SEO এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনের পক্ষে ব্লগের কন্টেন্ট এর তথ্য ভালোভাবে বুঝতে পারা সম্ভব হয়। আর যদি ব্লগ বা ব্লগের আর্টিকেল গুলিকে সঠিকভাবে এসইও করা না হয়, তাহলে গুগল আর্টিকেলের বিষয় বা টপিক কি সঠিকভাবে বুঝতে পারবে না। তখন 👇

👉 হাই কোয়ালিটি ইউনিক কন্টেন্ট পাবলিক করেও গুগল সার্চ থেকে ট্রাফিক বা ভিজিটর পাওয়া যায় না। 

✅তাই একজন ব্লগারকে এসইও কি এবং এসইও কিভাবে করতে হয়, এ বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।


এক সময়, অন পেজ এসইও বলতে কেবল ব্লগের আর্টিকেলে কীওয়ার্ড এর প্রচুর ব্যবহার করাটাই ভাবা হতো। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে উন্নতি হচ্ছে search engine bots গুলি। 👇

বর্তমান সময়ে অন পেজ এসইও এর ক্ষেত্রে ব্লগের আর্টিকেলের বিষয় এর সাথে জড়িত কীওয়ার্ডগুলি সীমিত পরিমাণে এবং জরুরি কিছু জায়গায় ব্যবহার করতে হয়।

✔✔এছাড়াও on page seo এর ক্ষেত্রে আরও বেশ কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হয় :


☑☑

১. Optimizing content for search intent :

অনপেজ এসইও মানে হলো, "এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল" তৈরী করা।

একজন ইউজার গুগল সার্চের মাধ্যমে কি ধরনের তথ্য জেনে নিতে চাচ্ছেন, তার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এবং সে অনুসারে আর্টিকেল লিখতে হবে।


ব্লগে লিখা আর্টিকেলে "focused keyword" এর সাথে জড়িত কিছু "related keywords" ব্যবহার করতে হয়। এতে করে ➡


--সার্চ ইঞ্জিন সহজে আর্টিকেলের টপিক বুঝতে পারে।

--focused keyword টির বিভিন্ন বিষয়ে গুগল সার্চে আর্টিকেলটি rank করার সম্ভাবনা থাকে।

--একই কিওয়ার্ড বারবার ব্যবহার না করার কারণে over keyword optimization এর ভয় কখনোই থাকে না এবং গুগল আপনার ব্লগ কখনো panalize করবে না। 


☑☑

২. Improve website loading speed :

ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পিড গুগলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ranking factor হিসেবে ধরা হয়। page speed কে ধরা হয় on page SEO এর খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হিসেবে।  👇👇👇👇

স্লো ওয়েবসাইট গুগল কখনোই পছন্দ করে না। যদিও আপনার কন্টেন্ট বা আর্টিকেল গুগল এর প্রথম সার্চ রেজাল্ট পেজে দেখানো হয়। তাও ওয়েবসাইট খুলতে অনেক সময় লাগার কারনে ৮০% ভিজিটর্স সাথে সাথে বিরক্ত হয়ে চলে যাবে।


নিচে কিছু স্পিড অপটিমাইজেশন টেকনিক দেয়া হলো  যা ব্লগ বা ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পিড দ্রুত করে ➡


-- ব্লগের আর্টিকেলে ছবি আপলোড করার আগে, প্রত্যেকটি ছবি compress করে নিতে হবে। এর জন্য compressjpeg.com ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করা যেতে পারে। 

-- ছবির সাইজ যতটা সম্ভব কমিয়ে ব্লগে আপলোড করতে হবে।

-- ব্লগের হোস্টিং সার্ভার যত ভালো হয়, ব্লগের পেজগুলি তত দ্রুত লোড হয়। 

-- হালকা, পরিষ্কার ও দ্রুত থিম ব্যবহার করতে হবে।

-- ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের ক্ষেত্রে একটি optimization plugin অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।


☑☑

৩. আর্টিকেলে টার্গেট করা focused keyword এর ব্যবহার :

আর্টিকেলের কিছু কিছু জায়গায় টার্গেট করা কিওয়ার্ডগুলি naturally ব্যবহার করা লাভজনক। যে সব জায়গায় ব্যবহার করা যাবে ➡


-- আর্টিকেলের টাইটেলে।

-- permalink URL এর মাঝে

-- প্রথম paragraph এর ভেতর

-- H2, H3, H4 ট্যাগ গুলির মধ্যে


☑☑

 ৪. USE ALT TAGS FOR IMAGES :

আর্টিকেলে ব্যবহার করা ছবি গুগলকে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য alt tag ব্যবহার করতে হবে। এই image alt tag এ ব্যবহার করতে হবে targeted focused keyword গুলি।


☑☑

৫. Simple and readable content :

ব্লগে লিখা কন্টেন্ট এবং আর্টিকেলের কোয়ালিটি সেরা মানের হতে হবে। ব্লগের কন্টেন্ট গুলি সহজ সরলভাবে লিখতে হবে, যাতে সহজে পড়া যায়। কিছু টিপস ➡


-- ছোট ছোট প্যারা করে লিখা।

-- বিষয়ের সাথে জড়িত সম্পূর্ণ তথ্য দেয়া।

-- ভিজিটর্স দীর্ঘক্ষন ধরে রাখতে হবে।


☑☑

৬. Use Internal linking tecknique :

নিজের ব্লগের আর্টিকেলে একটি কন্টেন্ট লিখার সময় কন্টেন্টটির সাথে জড়িত একই ব্লগের অন্য একটি আর্টিকেলের লিংক জুড়ে দেয়াকেই internal linking of articles বলা হয়।

এভাবেই লিংকিং করার ফলে ভিজিটর্স কোনো বিশেষ বিষয়ে অনেক রকম জ্ঞান নিতে পারবেন।

-- উইকিপিডিয়া হলো internal linking এর উপযুক্ত উদাহরণ। 


☑☑

৭. Regularly post articles :

গুগল সেই ব্লগগুলিকে অনেক পছন্দ করে, যেগুলিতে রেগুলার ভালো ভালো high quality articles পাবলিশ করা হয়।


☑☑

৮. Description :

গুগল সার্চে টাইটেল এর নিচেই description অংশটি দেখতে পাওয়া যায়। কন্টেন্ট এর ডেসক্রিপশনকে ক্লিক বেট করার কৌশল ➡


-- ১০০ + ৫০ ওয়ার্ডের মধ্যে হবে

-- focus keyword এর সাথে রিলেটেড শব্দ থাকতে হবে।

-- সরাসরি মূল টপিক তুলে ধরা।


☑☑

৯. Permalink :

গুগল সার্চে এটি টাইটেল এর নিচেই দেখা যায়।

Permalink এর ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে ➡


-- কিওয়ার্ড ব্যবহার

-- সংখ্যা ব্যবহার না করা

-- প্রতি শব্দের পরে (-) চিহ্নটি ব্যবহার করা


☑☑

১০. ওয়েবসাইট ডিজাইন :

ওয়েবসাইটের ডিজাইন যেন ভিজিটরের বোধগম্য হয় সেভাবেই ডিজাইন করতে হবে


💕💕💕

সর্বোপরি বলা যাচ্ছে, on page SEO করার উদ্দেশ্য একটাই, নিজের ব্লগের আর্টিকেলগুলিকে গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলোর জন্য ভালোভাবে অপটিমাইজ করা।

✔ একজন ভালো ব্লগারকে on page SEO সম্পর্কে সুনিশ্চিত ভাবে ভালো জ্ঞান রাখতে হবে।

Comments

Popular posts from this blog

গ্রাফিক ডিজাইন

গ্রাফিক শব্দের বাংলা অর্থ চিত্রলেখ আর ডিজাইন শব্দের বাংলা অর্থ নকশা। গ্রাফিক ডিজাইন হলো চিত্রলেখ এর মাধ্যমে নকশা তৈরি করা।  যেমন, লোগো, ব্যানার, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, বিজ্ঞাপন, ফ্লাইয়ার, লিফলেট, ব্রোশিয়ার। প্রোডাক্ট এর প্যাকেজিং, টি শার্ট, বইয়ের প্রচ্ছদ, বইয়ের ইলাস্ট্রেশন, রেস্টুরেন্ট এর খাবার এর ম্যানুর ইলাস্ট্রেশন।  মোশন গ্রাফিক্স, যেকোনো গেম, এপ্লিকেশন ও ওয়েবসাইট এর UI ও UX ডিজাইন। বর্তমান সময়ের ট্রেন্ড এর সাথে তাল মিলাতে হলে একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে অবশ্যই AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহারে অত্যন্ত দক্ষ হতে হবে। AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহার এর মাধ্যমে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার অনেক সহজে অনেক চমৎকারভাবে তার কাজ করে নিতে পারবে। AI ও চ্যাটজিপিটি গ্রাফিক ডিজাইনারদের পেশার জন্য কোনো প্রতিবন্ধক নয়, বরং এগুলো হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য খুবই চমৎকার সহায়ক কিছু অ্যাপ। AI এবং চ্যাটজিপিটির ব্যবহার একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে তার ক্যারিয়ারে আরও বেশি দক্ষ হয়ে উঠতে অনেক বেশি সহায়তা করবে। গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য অন্যতম প্রধান সফটওয়্যারগুলো হলো এডোবি ফটোশপ, এডোবি ইলাস্ট্রেটর, কোরেল ড্র, ইন ড...

Flyer কী?

গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টরে Flyer শব্দের অর্থ বিজ্ঞাপনের প্রচারপত্র। যেমন আমরা বলতে পারি অনুষ্ঠান প্রচার এর জন্য তারা flyer বিতরন করেছিল। বা বলতে পারি নতুন রেস্টুরেন্টটি স্থানীয় সংবাদপত্রে একটি flyer রেখেছিল। সাধারণভাবে, "ফ্লায়ার" (Flyer) হলো এক পৃষ্ঠার (single page)  মার্কেটিং বা প্রচারণা উপকরণ। এর লক্ষ্য হলো সহজ ভাষায় এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনে কোনো পণ্যের প্রচার, ইভেন্টের তথ্য, বা সেবা সম্পর্কে জানানো। ✅ সাধারণ ফ্লায়ার হয়: এক পেজের একপিঠ বা দুই পিঠে ছাপা (front and back) A4, A5 বা অন্য ছোট সাইজের  ❓ তাহলে দুই পেজের ফ্লায়ার হয় নাকি? প্রযুক্তিগতভাবে নয়, তবে কেউ কেউ দুই পৃষ্ঠার তথ্য বা একটি ভাঁজযুক্ত (folded) ডিজাইন ব্যবহার করে যাকে ব্রোশিওর (brochure) বা bi-fold/trifold বলা হয়। একে অনেকেই ভুল করে "দুই পেজের ফ্লায়ার" বলে। 📌 সংক্ষেপে: ফ্লায়ার: এক পেজ (একপিঠ বা দুই পিঠে প্রিন্ট হতে পারে) ব্রোশিওর: একাধিক পৃষ্ঠা বা ভাঁজযুক্ত ডিজাইন ✅ শুধু একপিঠে ডিজাইন করা ফ্লায়ার (single-sided flyer) -ই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও জনপ্রিয় । কারণ: 🎯 কেন একপিঠের ফ্লায়ার ব...

পার্ট টাইম জব

 স্টুডেন্ট থাকাকালীন বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীরই মনের একটা গোপন ইচ্ছা থাকে একটা পার্ট টাইম জব যদি পাওয়া যেত। এক্ষেত্রে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। এস এস সির পর আমি গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ে ছয় মাসের একটি ট্রেনিং করে সার্টিফিকেট নেয়ার সময় আমি আমার কোর্স কো অর্ডিনেটরকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমি এই সার্টিফিকেট ইউজ করে কিভাবে কোথায় চাকরির জন্য এপ্লাই করব? আমার কোর্স কো অর্ডিনেটর আমাকে চমৎকার পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমি bd jobs এর মত চাকরির সাইট গুলোতে ট্রাই করলেই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকবে। আমি সত্যিই বিডি জবস তিন চারটা জবে এপ্লাই করেই ঢাকার একটা অনেক নামকরা ও চমৎকার একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে ইন্টাভিউ এর জন্য কল পেয়েছিলাম। তার চেয়েও মজার ব্যাপার আমার জীবনের এই প্রথম ইন্টারভিউতেই আমার চাকরি হয়ে গিয়েছিল কারন আমার সাথে ছিল খুব আকর্ষণীয় একটি পোর্ট ফোলিও ফাইল।  এই পোর্ট ফোলিও ফাইলটিতে ছিল আমার কোর্স চলাকালীন সময়ে প্র্যাকটিস করা সব চেয়ে প্রফেশনাল মানের কাজ গুলোর প্রিন্ট, সাথে অবশ্যই আমার সিভিটাও ছিল পরিপাটি ও ফিটফাট এবং অবশ্যই ক্লিয়ারকাট।  তোমরা যারা শিক্ষাজীবনে পার্ট টাইম চা...