Skip to main content

backlink-ব্যাকলিংক কাকে বলে

 Backlink 🔗 ব্যাকলিংক 🔗



“অন্য একটি ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওয়েবসাইটের জন্য লিংক পাওয়া।”
অর্থাৎ আপনার যদি একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে থাকে এবং আপনি যদি Google Search Engine থেকে ওয়েবসাইটে প্রচুর ফ্রি ট্রাফিক পেতে চান, তাহলে আপনার তৈরী করতে হবে ব্যাকলিংক (backlink)।
নিজের সাইট এর লিংক যত বেশি সাইটে দেয়া হয়, নিজের সাইটে ততো বেশি ব্যাকলিংক পাওয়া যায়।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে ব্যাকলিংককে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে ধরা হয়। 💯

এক কথায় অন্য সাইট থেকে আমরা আমাদের নিজেদের সাইটে যে ইনকামিং লিংক পাই তাকে ব্যাকলিংক বলে। এভাবেও বলা যায়, ব্যাকলিংক মানে হলো, নিজের ওয়েবসাইট এর URL link অন্য একটি ওয়েবসাইটে রাখা এবং সেই ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওয়েবসাইটের জন্য একটি external link পাওয়া।
☑️ একটি সাইটের গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাকলিংক বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
☑️ সার্চ ইঞ্জিন সব সময় খোঁজ করে কোন সাইটের ব্যাকলিংক বেশি।
☑️ সার্চ ইঞ্জিন তাদের প্রথম পেজের জন্য বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যাকলিংককে।

ব্যাকলিংক off page seo এর একটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এর দ্বারা নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগের search engine ranking অনেক বেশি ভালো করে নেয়া যায়। কোয়ালিটি ব্যাকলিংক যত বেশি হয়, domain authority তত ভালো হয়। আর domain authority যত ভালো হয়, আর্টিকেলগুলি google search result এ তত ভালো rank পেয়ে থাকে। তখন গুগল থেকে আসা ট্রাফিক এর পরিমাণ বাড়তে থাকে।

➡Internal link: নিজের ব্লগের মধ্যেই একটি আর্টিকেল এর লিংক অন্য একটি আর্টিকেল এর ভেতর দেয়া।
➡External link: অন্য ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওয়েবসাইটে আসা লিংক।

লক্ষ্য রাখতে হবে📌
-সব সময় ভালো quality ও ভালো authority থাকা ওয়েবসাইট থেকেই backlink নিতে হবে।
-একই সাথে অধিক পরিমাণে backlink তৈরী করলে, গুগল এটিকে spam হিসেবে ধরে নিতে পারে।

ব্যাকলিংক তৈরীর সেরা মাধ্যম---
☑️Quara question and answer site
☑️গেস্ট পোস্টিং
☑️Social networking site profiles

Comments

Popular posts from this blog

গ্রাফিক ডিজাইন

গ্রাফিক শব্দের বাংলা অর্থ চিত্রলেখ আর ডিজাইন শব্দের বাংলা অর্থ নকশা। গ্রাফিক ডিজাইন হলো চিত্রলেখ এর মাধ্যমে নকশা তৈরি করা।  যেমন, লোগো, ব্যানার, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, বিজ্ঞাপন, ফ্লাইয়ার, লিফলেট, ব্রোশিয়ার। প্রোডাক্ট এর প্যাকেজিং, টি শার্ট, বইয়ের প্রচ্ছদ, বইয়ের ইলাস্ট্রেশন, রেস্টুরেন্ট এর খাবার এর ম্যানুর ইলাস্ট্রেশন।  মোশন গ্রাফিক্স, যেকোনো গেম, এপ্লিকেশন ও ওয়েবসাইট এর UI ও UX ডিজাইন। বর্তমান সময়ের ট্রেন্ড এর সাথে তাল মিলাতে হলে একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে অবশ্যই AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহারে অত্যন্ত দক্ষ হতে হবে। AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহার এর মাধ্যমে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার অনেক সহজে অনেক চমৎকারভাবে তার কাজ করে নিতে পারবে। AI ও চ্যাটজিপিটি গ্রাফিক ডিজাইনারদের পেশার জন্য কোনো প্রতিবন্ধক নয়, বরং এগুলো হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য খুবই চমৎকার সহায়ক কিছু অ্যাপ। AI এবং চ্যাটজিপিটির ব্যবহার একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে তার ক্যারিয়ারে আরও বেশি দক্ষ হয়ে উঠতে অনেক বেশি সহায়তা করবে। গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য অন্যতম প্রধান সফটওয়্যারগুলো হলো এডোবি ফটোশপ, এডোবি ইলাস্ট্রেটর, কোরেল ড্র, ইন ড...

Flyer কী?

গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টরে Flyer শব্দের অর্থ বিজ্ঞাপনের প্রচারপত্র। যেমন আমরা বলতে পারি অনুষ্ঠান প্রচার এর জন্য তারা flyer বিতরন করেছিল। বা বলতে পারি নতুন রেস্টুরেন্টটি স্থানীয় সংবাদপত্রে একটি flyer রেখেছিল। সাধারণভাবে, "ফ্লায়ার" (Flyer) হলো এক পৃষ্ঠার (single page)  মার্কেটিং বা প্রচারণা উপকরণ। এর লক্ষ্য হলো সহজ ভাষায় এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনে কোনো পণ্যের প্রচার, ইভেন্টের তথ্য, বা সেবা সম্পর্কে জানানো। ✅ সাধারণ ফ্লায়ার হয়: এক পেজের একপিঠ বা দুই পিঠে ছাপা (front and back) A4, A5 বা অন্য ছোট সাইজের  ❓ তাহলে দুই পেজের ফ্লায়ার হয় নাকি? প্রযুক্তিগতভাবে নয়, তবে কেউ কেউ দুই পৃষ্ঠার তথ্য বা একটি ভাঁজযুক্ত (folded) ডিজাইন ব্যবহার করে যাকে ব্রোশিওর (brochure) বা bi-fold/trifold বলা হয়। একে অনেকেই ভুল করে "দুই পেজের ফ্লায়ার" বলে। 📌 সংক্ষেপে: ফ্লায়ার: এক পেজ (একপিঠ বা দুই পিঠে প্রিন্ট হতে পারে) ব্রোশিওর: একাধিক পৃষ্ঠা বা ভাঁজযুক্ত ডিজাইন ✅ শুধু একপিঠে ডিজাইন করা ফ্লায়ার (single-sided flyer) -ই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও জনপ্রিয় । কারণ: 🎯 কেন একপিঠের ফ্লায়ার ব...

পার্ট টাইম জব

 স্টুডেন্ট থাকাকালীন বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীরই মনের একটা গোপন ইচ্ছা থাকে একটা পার্ট টাইম জব যদি পাওয়া যেত। এক্ষেত্রে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। এস এস সির পর আমি গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ে ছয় মাসের একটি ট্রেনিং করে সার্টিফিকেট নেয়ার সময় আমি আমার কোর্স কো অর্ডিনেটরকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমি এই সার্টিফিকেট ইউজ করে কিভাবে কোথায় চাকরির জন্য এপ্লাই করব? আমার কোর্স কো অর্ডিনেটর আমাকে চমৎকার পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমি bd jobs এর মত চাকরির সাইট গুলোতে ট্রাই করলেই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকবে। আমি সত্যিই বিডি জবস তিন চারটা জবে এপ্লাই করেই ঢাকার একটা অনেক নামকরা ও চমৎকার একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে ইন্টাভিউ এর জন্য কল পেয়েছিলাম। তার চেয়েও মজার ব্যাপার আমার জীবনের এই প্রথম ইন্টারভিউতেই আমার চাকরি হয়ে গিয়েছিল কারন আমার সাথে ছিল খুব আকর্ষণীয় একটি পোর্ট ফোলিও ফাইল।  এই পোর্ট ফোলিও ফাইলটিতে ছিল আমার কোর্স চলাকালীন সময়ে প্র্যাকটিস করা সব চেয়ে প্রফেশনাল মানের কাজ গুলোর প্রিন্ট, সাথে অবশ্যই আমার সিভিটাও ছিল পরিপাটি ও ফিটফাট এবং অবশ্যই ক্লিয়ারকাট।  তোমরা যারা শিক্ষাজীবনে পার্ট টাইম চা...