Skip to main content

ডিজিটাল মার্কেটিং

যে কোনো পণ্য বা সেবা বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা করে বিক্রয় করাকে মার্কেটিং বলে।

যেকোনো ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে, প্রধানত ইন্টারনেট এবং আরও অন্যান্য ডিজিটাল টুলস ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোনো পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা করাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।
বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। যেখানে কাস্টমার বেশি সেখানেই বিজ্ঞাপন হয়। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এখন পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও বিক্রয়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং এর তুলনায় ডিজিটাল মার্কেটিং একটু বেশিই জটিল। তাই চাকরির বাজারে ডিজিটাল মার্কেটার বা ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট এর চাহিদাও একই সাথে বেড়ে চলেছে।
বেশ কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পণ্য বা সেবার ডিজিটাল মার্কেটিংকে এগিয়ে নেয়া যায়।
১. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) হচ্ছে ওয়েবসাইটকে অর্গানিক অর্থাৎ বিনা খরচে কীওয়ার্ড, ভালো কনটেন্ট ও নিয়মানুযায়ী পরিচালনা করে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় নিয়ে আসার একটি প্রযুক্তিগত কৌশল।
২. Search Engine Marketing (SEM) হল যেখানে Paid করার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আসা হয়।
৩. কনটেন্ট মার্কেটিং হলো পণ্য বা সেবার বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরী করে তা দিয়ে ইন্টারনেটে বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা করাকে কনটেন্ট মার্কেটিং বলে।
৪. ইমেইল মার্কেটিং হলো ইমেইল এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা করা।
৫. Social Media Marketing (SMM) ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অধিকাংশ Social Media ব্যবহার করছেন। তাই Social Media তে পণ্য বা সেবার প্রচারণা করে গ্রাহকের কাছে পৌছানো অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে।
৬. Affiliate Marketing হলো কোনো ধরনের ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই অন্যের সেবা বা পণ্য Social Media, ইউটিউব বা ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে প্রচারণা ও বিক্রয় করে আয় করার মাধ্যম।
এছাড়াও ই - কমার্স মার্কেটিং, ডিসপ্লে এ্যাডভারটাইজিং, মোবাইল এস এম এস ও এম এম এস, কলব্যাক, ইলেকট্রনিক্স বিলবোর্ড সহ আরও অনেক প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করা হয়।



Comments

Popular posts from this blog

গ্রাফিক ডিজাইন

গ্রাফিক শব্দের বাংলা অর্থ চিত্রলেখ আর ডিজাইন শব্দের বাংলা অর্থ নকশা। গ্রাফিক ডিজাইন হলো চিত্রলেখ এর মাধ্যমে নকশা তৈরি করা।  যেমন, লোগো, ব্যানার, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, বিজ্ঞাপন, ফ্লাইয়ার, লিফলেট, ব্রোশিয়ার। প্রোডাক্ট এর প্যাকেজিং, টি শার্ট, বইয়ের প্রচ্ছদ, বইয়ের ইলাস্ট্রেশন, রেস্টুরেন্ট এর খাবার এর ম্যানুর ইলাস্ট্রেশন।  মোশন গ্রাফিক্স, যেকোনো গেম, এপ্লিকেশন ও ওয়েবসাইট এর UI ও UX ডিজাইন। বর্তমান সময়ের ট্রেন্ড এর সাথে তাল মিলাতে হলে একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে অবশ্যই AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহারে অত্যন্ত দক্ষ হতে হবে। AI ও চ্যাটজিপিটি ব্যাবহার এর মাধ্যমে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার অনেক সহজে অনেক চমৎকারভাবে তার কাজ করে নিতে পারবে। AI ও চ্যাটজিপিটি গ্রাফিক ডিজাইনারদের পেশার জন্য কোনো প্রতিবন্ধক নয়, বরং এগুলো হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য খুবই চমৎকার সহায়ক কিছু অ্যাপ। AI এবং চ্যাটজিপিটির ব্যবহার একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকে তার ক্যারিয়ারে আরও বেশি দক্ষ হয়ে উঠতে অনেক বেশি সহায়তা করবে। গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজের জন্য অন্যতম প্রধান সফটওয়্যারগুলো হলো এডোবি ফটোশপ, এডোবি ইলাস্ট্রেটর, কোরেল ড্র, ইন ড...

পার্ট টাইম জব

 স্টুডেন্ট থাকাকালীন বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীরই মনের একটা গোপন ইচ্ছা থাকে একটা পার্ট টাইম জব যদি পাওয়া যেত। এক্ষেত্রে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। এস এস সির পর আমি গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ে ছয় মাসের একটি ট্রেনিং করে সার্টিফিকেট নেয়ার সময় আমি আমার কোর্স কো অর্ডিনেটরকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমি এই সার্টিফিকেট ইউজ করে কিভাবে কোথায় চাকরির জন্য এপ্লাই করব? আমার কোর্স কো অর্ডিনেটর আমাকে চমৎকার পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমি bd jobs এর মত চাকরির সাইট গুলোতে ট্রাই করলেই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকবে। আমি সত্যিই বিডি জবস তিন চারটা জবে এপ্লাই করেই ঢাকার একটা অনেক নামকরা ও চমৎকার একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে ইন্টাভিউ এর জন্য কল পেয়েছিলাম। তার চেয়েও মজার ব্যাপার আমার জীবনের এই প্রথম ইন্টারভিউতেই আমার চাকরি হয়ে গিয়েছিল কারন আমার সাথে ছিল খুব আকর্ষণীয় একটি পোর্ট ফোলিও ফাইল।  এই পোর্ট ফোলিও ফাইলটিতে ছিল আমার কোর্স চলাকালীন সময়ে প্র্যাকটিস করা সব চেয়ে প্রফেশনাল মানের কাজ গুলোর প্রিন্ট, সাথে অবশ্যই আমার সিভিটাও ছিল পরিপাটি ও ফিটফাট এবং অবশ্যই ক্লিয়ারকাট।  তোমরা যারা শিক্ষাজীবনে পার্ট টাইম চা...

ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস- Fiverr ও এর বর্তমান হালচাল

ফাইভার কী? ফাইভার হলো বিশ্বের খুবই জনপ্রিয় একটি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস।  মার্কেটপ্লেস কী? মার্কেটপ্লেস হলো যেখানে বেচাকেনা হয়। ফাইভার মার্কেটপ্লেসে সার্ভিস বেচাকেনা হয়। ফাইভারে বিভিন্ন কাজে দক্ষ মানুষেরা তাদের সার্ভিস দিয়ে থাকেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রয়োজনীয় সার্ভিসটি ফাইভার থেকে কিনে নেয়। ফাইভারে একজন seller তার সময় ও স্কিল বিক্রি করে। একজন বায়ার payment এর মাধ্যমে তা ক্রয় করে। ফাইভারে একাউন্ট খোলার পর আপনাকে প্রথমত আপনার স্কিল, পরিচয়, পোর্টফোলিও ইত্যাদি দিয়ে প্রোফাইল সাজাতে হবে। আপনি যে বিষয়ে কাজ করবেন সেরকম অন্যান্য সেলারদের প্রোফাইল প্রচুর সময় নিয়ে রিসার্চ করে পরবর্তীতে নিজের প্রোফাইলটি সাজালে ভালো হয়। প্রোফাইল রেডি করার পরবর্তীতে গিগ করার মাধ্যমে আপনি কি ধরনের সার্ভিস দিবেন তা তুলে ধরতে হবে। গিগ কী? মার্কেটপ্লেস যদি একটি বাজার হয় তবে গিগ হলো একটি দোকান। গিগ অবশ্যই খুব সুন্দরভাবে সাজাতে হবে, তাহলেই কাজ পাওয়া যাবে।  গিগ করার আগে গিগ রিসার্চ করতে হবে দীর্ঘ সময় নিয়ে। অর্থাৎ আপনি যে বিষয়ে গিগ করবেন, সে বিষয়ের অন্যান্য গিগ গুলো কেমন তা ভালোাবে রিসার...