⏯⏭
ফাইবার একাউন্ট কিভাবে খুলব তার বিস্তারিত খুটিনাটি নিয়ম কানুন সব ভালোভাবে জেনে নিয়ে এরপর সঠিক নিয়মে ফাইবার অ্যাকাউন্ট খোলা উচিত। ফাইবার অ্যাকাউন্ট খোলার আগে বা পরে অবশ্যই গুগল গ্যারেজ এর ডিজিটাল মার্কেটিং ফান্ডামেন্টাল কোর্সটি করে নিতে হয়।
✔রেজিস্ট্রেশন করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
✔continue with Google or Facebook এই অপশনে খোলা যাবে না।
✔ফাইভার এর বেশ কিছু rules regulations আছে যা ভঙ্গ করলে আপনার অ্যাকাউন্ট পার্মানেন্টলি রেসট্রিকটেড হবে। যেমন: বায়ার এর সাথে চ্যাটে জিমেইল ঠিকানা দেয়া যাবে না। তাই এ বিষয়ে যথেষ্ট পরিমাণ সতর্ক সব সময় থাকতে হবে।
![]() |
⏯⏭
গিগ তৈরীর জন্য কিছু টিপস ✍✍
গিগকে অনেকটা বলা যায় সাব প্রোফাইল। যা থেকে বুঝা যাবে আপনি কোন টপিক নিয়ে কাজ করবেন বা কি কি সার্ভিস দিবেন সহ আপনার সার্ভিস সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য।
প্রথমত অবশ্যই গিগের সাবজেক্ট বেছে নিতে হবে, যেমন শুরু করা যায় লিড জেনারেশন দিয়ে। যদি লিড জেনারেশন নিয়ে তৈরী করি, তাহলে এ বিষয়ের উপর বেশ কিছু গিগ এনালাইসিস করে নিতে হবে।
চার পাঁচটি গিগের টাইটেল কপি করে docs এ নিয়ে রেখে, এরপর সেগুলোর মত নিজে থেকেই একটি গিগের টাইটেল তৈরী করতে হবে, ইউনিক হতে হবে। অন্য গিগের টাইটেল সরাসরি কপি করে ব্যবহার করা যাবে না। টাইটেল তৈরীর ক্ষেত্রে ফোকাস দিতে হবে কী ওয়ার্ড এর দিকে।
এর পর ঠিক করে নিতে হবে ক্যাটাগরি, অর্থাৎ আপনি গিগ কোন ক্যাটাগরিতে পাবলিশ করবেন। ক্যাটাগরিও বেশ কয়েকটি গিগের ক্যাটাগরি দেখে ঠিক করে নিয়ে Docs এ টুকে রাখতে হবে।
ডেসক্রিপনের শুরুতে নিজের পরিচয় দিতে হবে শর্ট করে। ডেসক্রিপশনও টাইটেল এর মত করেই অন্যান্য গিগ দেখে নিজের মত করে চমৎকার একটা shape দিয়ে তৈরী করতে হবে। আপনি কি কি সুবিধা দিচ্ছেন, বায়ার রিকোয়ারমেন্ট এগুলো ডেসক্রিপশনে থাকবে।
সার্চ ট্যাগ: বিভিন্ন গিগ থেকে বেশ কিছু ট্যাগ বেছে নিয়ে docs এ রাখতে হবে। ট্যাগ গিগের একেবারে নিচে থাকে।
গিগের জন্য প্রফেশনাল ও মানসম্মত ১ টি ব্যানার, পূর্বের ২ টি কাজের ২ টি স্ক্রিনশট ও ২ টি pdf আগে থেকেই তৈরী করে রাখতে হবে। অন্যান্য গিগের ব্যানার দেখে গিগ এর ব্যানার এর আইডিয়া নিতে হবে।
কোন industry তে কাজ করব সেটাও docs এ টুকে রাখতে হবে।
গিগের টাইটেল, ক্যাটাগরি, ডেসক্রিপশন ও ট্যাগ সুন্দর ভাবে docs এ সাজিয়ে নেয়ার পর ফাইবার প্রোফাইলের create a gig অপশনে ক্লিক করে গিগ তৈরীর কাজ শুরু করতে হবে। এজন্য আগে থেকেই ফাইবার প্রোফাইল সম্পূর্ণভাবে তৈরী করে রাখতে হবে, নতুবা create a gig অপশনটি পাওয়া যাবে না।
গিগ create এর সময় docs এ আগে থেকে তৈরী করে রাখা লেখা সরাসরি কপি করে কোনোভাবেই বসানো যাবে না। সব কিছুই docs থেকে দেখে দেখে নিজ হাতে টাইপ করে বসাতে হবে।
কয়েক ধাপে অর্থাৎ বেশ কয়েকটি পেজ ফিলাপ করতে হবে গিগ ক্রিয়েট এর সময়। save & continue দিয়ে নেক্সট পেজে যেতে হবে। ভুল না হলে নেক্সট ধাপের পেজ আসবে, আর ভুল হলে রেড মার্ক দেখাবে। তখন ভুল শুধরে নিয়ে আবার নেক্সট পেজে যেতে হবে।
গিগের ডেসক্রিপশন সর্বনিম্ন ৬৫০ ওয়ার্ড এর হতে হবে।
সবশেষে যদি publish অপশন আসবে। সেখানে ক্লিক করলে gig publish হয়ে যাবে।
কপি পেস্ট করলে বা গ্রামার ও স্পেলিং এর ভুল থাকলে ইংলিশ টেস্ট দিয়ে publish অপশনটি চালু করতে হবে। ইংলিশ টেস্টে একবারে পাশ না আসলে কিছুদিন এর জন্য আপনার প্রোফাইলে গিগ পাবলিশ করতে পারবেন না।
গিগের impression থেকে আপনি বুঝতে পারবেন গিগটি মানুষ ভিজিট করে কিনা বা কেমন ভিজিট হচ্ছে। গিগের মার্কেটিং এর সঠিক নিয়ম শিখে নিয়ে গিগের মার্কেটিং করতে হবে।
বায়ার নক করেছে কিনা বার বার ইনবক্সে ও নোটিফিকেশনে চেক করতে হবে, এজন্য আপনাকে স্মার্টফোন থেকেও ফাইবারে একটিভ থাকতে হবে।
বায়ার নক করলে create offer অপশন ব্যবহার করে বায়ারকে সুন্দর একটি ডেসক্রিপশনের মাধ্যমে রিপ্লাই দিতে হবে। পূর্বে নিজেই বায়ার রিকোয়েস্ট এর মাধ্যমে বায়ারকে অফার করা যেতো। এখন শুধু মাত্র বায়ার নিজে থেকে নক করলে তবেই বায়ারকে অফার করা যাবে।
ফাইবারে badge test দিয়ে ফাইবার badge test এর ফ্রি কোর্সের badge টি নিয়ে রাখতে হবে। এটা অনেকটা গুগল সার্টিফিকেট এর কোর্সের মত। গিগ পাবলিশ এর আগে বা পরে গুগল সার্টিফিকেট ও ফাইবার badge test এর কোর্সটি করে নিতে হবে।
আপনার প্রোফাইলে যদি নিয়মিত সবসময় বায়ার এর ম্যাসেজ এর রিপ্লাই দ্রুত টাইমলি করেন তাহলে আপনার প্রোফাইলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
একই সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি গিগ পাবলিশ করে ফাইবারে কাজ শুরু করা উচিত। শুধু মাত্র একটি গিগ দিয়ে কাজ করা উচিত নয়। শুরুতে একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে গিগ গুলো করে কয়েকটি কাজ পাওয়া গেলে, এরপর অন্যান্য ক্যাটাগরিতে গিগ করলে ভালো হবে।
সতর্কতা: চ্যাট বক্সে ইমেইল বা সোস্যাল মিডিয়া একাউন্ট এর লিংক দেয়া যাবে না।

Comments
Post a Comment